রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৩.৪; উৎপত্তিস্থল জেলা শহর থেকে ৩৩ কিমি পূর্বে
ঠাকুরগাঁও জেলা ও এর আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৪। আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির স্থায়িত্ব ছিল কয়েক সেকেন্ড, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
২৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৩৩১ কিলোমিটার দূরে ঠাকুরগাঁও জেলার প্রায় ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে। এটি একটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল বলে ধারণা করছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি।
ভূমিকম্পের বিস্তারিত বিবরণ:
- সময়: আজ রোববার সকাল ৮টা ৩৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ড।
- মাত্রা: রিখটার স্কেলে ৩.৪ (মৃদু)।
- গভীরতা: ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
- উৎপত্তিস্থল: ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে ৩৩ কিমি পূর্বে (পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল সীমান্তবর্তী এলাকা)।
স্থানীয় প্রভাব ও জনজীবন:
| এলাকা | প্রভাবের বিবরণ |
| পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল | এই দুই উপজেলার বাসিন্দারা কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছেন। |
| ঠাকুরগাঁও সদর | অনেকে ঘুমে থাকায় বা ব্যস্ত থাকায় বুঝতে না পারলেও ভবনের ওপর তলায় থাকা মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। |
| ক্ষয়ক্ষতি | এখন পর্যন্ত কোনো ঘরবাড়ি ধসে পড়া বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। |
| আবহাওয়া অফিস | ঢাকা থেকে ৩৩১ কিমি উত্তর-পশ্চিমে কম্পনটি রেকর্ড করা হয়েছে। |
আগের ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপট:
উল্লেখ্য যে, এর আগে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি ভোররাতে সিলেট ও আশপাশের এলাকায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। উত্তরাঞ্চলে মাঝে মাঝেই এ ধরনের মৃদু কম্পন অনুভূত হলেও বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পীরগঞ্জের বাসিন্দা রহিম উদ্দিন জানান, “হঠাৎ ঘরটা কেঁপে উঠল, আমরা সবাই ভয় পেয়ে দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিলাম।” আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৃদু এই কম্পনের পর কোনো বড় আফটারশকের সম্ভাবনা নেই।
















