তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ইসরায়েলের ইরানের ওপর হামলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং এমন কোনো ঘটনা অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও অস্থিতিশীল করতে পারে।
ফিদান শুক্রবার তুরস্কের এনটিভি চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আশা করি তারা অন্য কোনো পথ খুঁজবে, তবে বাস্তবতা হলো ইসরায়েল বিশেষভাবে ইরানকে লক্ষ্য করে হামলার সুযোগ খুঁজছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি ইরানে সফরের সময় তিনি ইরানের নেতৃত্বকে এই বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন। ফিদান বলেন, আমি তাদের বন্ধুত্বপূর্ণভাবে সব তথ্য জানিয়েছি এবং একজন বন্ধু যেমন কঠোর সত্য বলে, আমি তেমনই করেছি।
এই সতর্কবার্তার আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে তুরস্ক যে কোনো বিদেশী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে এবং প্রতিবেশীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে চায় তা জানিয়েছেন।
ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, শত্রুর কোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা এটিকে “পূর্ণ যুদ্ধ” হিসেবে বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি এটি বাস্তব সংঘর্ষের উদ্দেশ্যে নয়, তবে আমাদের সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। এবার কোনো সীমিত বা ব্যাপক হামলাকেই আমরা পূর্ণ যুদ্ধ হিসেবে গ্রহণ করব এবং কঠোরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাব।”
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার উপসাগর অঞ্চলে একটি নৌবহর পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন, যার লক্ষ্য ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিনকন বিমানবাহী জাহাজ এবং তার যুদ্ধজাহাজের দল দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে চলে যাচ্ছে এবং কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগর অঞ্চলে পৌঁছাবে।
ফিদানের সতর্কবার্তা এবং ইরানের প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, যা সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
















