১৯৮৪ সালের ব্লকবাস্টার ‘শত্রু’ সিনেমার পর দীর্ঘ ৪২ বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও রূপালি পর্দায় ফিরছেন টলিউডের তিন মহারথী রঞ্জিত মল্লিক, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নতুন সিনেমা ‘বিজয়নগরের হীরে’-র ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে এই বড় ঘোষণা দেওয়া হয়।
টালিউডের ইতিহাসে এক সময় দাপিয়ে বেড়ানো তিন মহাতারকা রঞ্জিত মল্লিক, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আবারও এক সিনেমায় ফিরছেন। ১৯৮৪ সালে অঞ্জন চৌধুরী পরিচালিত বক্স অফিস কাঁপানো সিনেমা ‘শত্রু’-তে তাঁদের শেষবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। দীর্ঘ ৪২ বছর পর সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আবারও এই ত্রয়ীকে বড়পর্দায় ফেরানোর ঘোষণা দিলেন খোদ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) এসভিএফ প্রযোজিত এবং চন্দ্রাশিস রায় পরিচালিত ‘বিজয়নগরের হীরে’ সিনেমার ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে এই চমকপ্রদ খবর জানান বুম্বাদা। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রসেনজিৎকে প্রশ্ন করা হয়, চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁকে আবার কবে দেখা যাবে? জবাবে তিনি বলেন, “আমরা একটা সিনেমা করব, খুব শিগগিরই। এটা আমার অনেকদিন ধরে ইচ্ছে, আমি দীপক দা (চিরঞ্জিত চক্রবর্তী), রঞ্জিত দা একসঙ্গে আবারও কাজ করব।” প্রসেনজিতের কথার রেশ ধরে চিরঞ্জিত চক্রবর্তীও জানান, প্রসেনজিৎ দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি পরিকল্পনার কথা বলছিলেন এবং এখন তা বাস্তবায়নের পথে।
উল্লেখ্য, ‘বিজয়নগরের হীরে’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ ২৫ বছর পর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তী একসঙ্গে কাজ করেছেন। এটি জনপ্রিয় ‘কাকাবাবু’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ কিস্তি। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় চিরঞ্জিতকে দেখা যাবে এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। প্রসেনজিৎ ও চিরঞ্জিত ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন আরিয়ান ভৌমিক, রাজনন্দিনী পাল, শ্রেয়া ভট্টাচার্য ও অনুজয় চট্টোপাধ্যায়।
আগামী ২৩ জানুয়ারি বড়পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘বিজয়নগরের হীরে’। তবে কাকাবাবুর এই অভিযানের চেয়েও এখন ভক্তদের মধ্যে বেশি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রঞ্জিত-চিরঞ্জিত-প্রসেনজিৎ ত্রয়ীর পুনর্মিলনের খবরটি নিয়ে। টলিউডের এই সোনালী যুগের নায়করা আবারও একসঙ্গে এলে বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস তৈরি হবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।
















