রাঙামাটিতে গণভোটের প্রচার ও ক্যারাভান উদ্বোধন; প্রতিটি কেন্দ্রে থাকছে কড়া নিরাপত্তা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, আসন্ন গণভোট কেবল একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, এই ভোটের মাধ্যমে দেশের চাবি জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা একটি আধুনিক ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। পরে জেলা প্রশাসন চত্বরে বেলুন উড়িয়ে এবং ‘ভোটের গাড়ি’ ক্যারাভানের মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।
সুপ্রদীপ চাকমার বক্তব্যের মূল সারসংক্ষেপ:
- জনগণের হাতে চাবি: উপদেষ্টা বলেন, “আমরা জনগণের হাতে রাষ্ট্রের চাবি তুলে দিচ্ছি। এই ‘হ্যাঁ’ ভোট ভবিষ্যৎ পার্লামেন্টকে সঠিক পথে চলতে বাধ্য করবে এবং জনতা সেখানে নৈতিক পাহারাদার হিসেবে কাজ করবে।”
- নিরাপদ ভোটগ্রহণ: নির্বাচনকে স্বচ্ছ করতে বিশেষ পদক্ষেপের কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, এবার ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে এবং পুলিশ সদস্যদের বডি ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে। এতে ব্যালটে সিল মারা বা কেন্দ্র দখলের কোনো সুযোগ থাকবে না।
- আধুনিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ: তিনি বিশ্বাস করেন, এই গণভোটের রায় বাংলাদেশকে এমন এক আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আত্মমর্যাদা নিয়ে টিকে থাকতে পারবে।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ:
দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. তৌফিক ইমাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার এবং পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন গণভোটের প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত দিক নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
















