ছুটির দিনেও খোলা থাকবে সেবা কেন্দ্র; অনলাইন রিটার্ন সহজ করতে ই-ট্যাক্স ইউনিটের বড় উদ্যোগ
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের আয়কর রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে বিশেষ ‘হেল্প ডেস্ক’ চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি প্রার্থীদের ডিজিটাল রিটার্ন দাখিলে সরাসরি কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।
২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | দুপুর ৩:১৫ মিনিট
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। এই প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রার্থীদের সুবিধার্থে ছুটির দিনগুলোতেও বিশেষ হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করা হবে।
সময়সূচি ও সেবার স্থান
এনবিআরের ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের সহযোগিতায় এই হেল্প ডেস্কটি স্থাপন করা হয়েছে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের সপ্তম তলায়। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী:
- ২৬ ডিসেম্বর (শুক্রবার): দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
- ২৭ ডিসেম্বর (শনিবার): সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
- ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর: অফিস চলাকালীন নিয়মিত সেবা প্রদান করা হবে।
অনলাইন রিটার্নে স্বচ্ছতার ওপর জোর
এনবিআর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, অনলাইনে রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়াকে জনপ্রিয় করতে এবং প্রার্থীদের নির্বাচনি হলফনামায় তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা। ই-রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রার্থীরা ঘরে বসেই তাদের আয়, ব্যয় এবং সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে পারবেন। কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা বা জটিলতা দেখা দিলে হেল্প ডেস্কে থাকা বিশেষজ্ঞরা তাৎক্ষণিক সমাধান দেবেন।
বাধ্যতামূলক ই-রিটার্ন ও নির্বাচনী শর্ত
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়। এবার এনবিআর ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করায় প্রার্থীদের জন্য এই বিশেষ ডেস্কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল শেষে প্রার্থীরা অনলাইনেই তাৎক্ষণিক একনলেজমেন্ট স্লিপ ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, এনবিআর ইতোমধ্যেই সাধারণ করদাতাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। তবে নির্বাচনের বিশেষ প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে প্রার্থীদের জন্য এই অগ্রিম ও নিবিড় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
















