Dhaka ০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মাদ্রাসার নামে ভুয়া রশিদ দিয়ে অর্থ আদায়ের সময় তিনজন আটক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:২৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় একটি অভিনব ও চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। কোনো ধরনের অনুমোদন বা অস্তিত্বহীন একটি মাদ্রাসার নাম ভাঙিয়ে ভুয়া রশিদ বই ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিন সদস্যের একটি প্রতারক চক্রকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনসাধারণ ও পুলিশ। গত রোববার (৪ অক্টোবর) উপজেলার ব্যস্ততম মালিক সুপার মার্কেট এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত বিবরণে জানা যায়, প্রায় আট সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে সুকৌশলে বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে সাধারণ ও সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে দান-সাদকা বা সহযোগিতার নামে চাঁদা তুলে আসছিল। ঘটনার দিন রোববার দুপুরে ওই চক্রের সদস্যরা দামুড়হুদার মালিক সুপার মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিল এবং সাধারণ লোকজনের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল। তাদের অস্বাভাবিক আচরণ ও কর্মকাণ্ডে স্থানীয় লোকজনের মনে তীব্র সন্দেহের উদ্রেক হয়।

একপর্যায়ে তাদের এই অপতৎপরতা ও প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠলে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করেন। জনরোষ ও ধাওয়ার মুখে পড়ে চক্রের পাঁচ সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়তে সক্ষম হলেও স্থানীয়দের সাহসিকতায় তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে অবরুদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে দামুড়হুদা থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটককৃত তিন ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তল্লাশিতে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেশ কিছু ভুয়া ও জাল রশিদ বই উদ্ধার করা হয়। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, উদ্ধারকৃত ওই ভুয়া রশিদ বইগুলোতে ‘নাজমুল হোসাইন বিপ্লবী’ নামক এক ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর মুদ্রিত পাওয়া গেছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর কেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একই কুটিল কৌশলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল।

দামুড়হুদা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের মূল নেটওয়ার্ক উদঘাটনের জন্য বর্তমানে নিবিড় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চক্রের পলাতক অপর পাঁচ সদস্যকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

ইউরোপের ৭ দেশের সুপারমার্কেটে নজিরবিহীন সাইবার হামলা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মাদ্রাসার নামে ভুয়া রশিদ দিয়ে অর্থ আদায়ের সময় তিনজন আটক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:২৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় একটি অভিনব ও চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। কোনো ধরনের অনুমোদন বা অস্তিত্বহীন একটি মাদ্রাসার নাম ভাঙিয়ে ভুয়া রশিদ বই ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিন সদস্যের একটি প্রতারক চক্রকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনসাধারণ ও পুলিশ। গত রোববার (৪ অক্টোবর) উপজেলার ব্যস্ততম মালিক সুপার মার্কেট এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত বিবরণে জানা যায়, প্রায় আট সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে সুকৌশলে বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে সাধারণ ও সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে দান-সাদকা বা সহযোগিতার নামে চাঁদা তুলে আসছিল। ঘটনার দিন রোববার দুপুরে ওই চক্রের সদস্যরা দামুড়হুদার মালিক সুপার মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিল এবং সাধারণ লোকজনের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল। তাদের অস্বাভাবিক আচরণ ও কর্মকাণ্ডে স্থানীয় লোকজনের মনে তীব্র সন্দেহের উদ্রেক হয়।

একপর্যায়ে তাদের এই অপতৎপরতা ও প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠলে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করেন। জনরোষ ও ধাওয়ার মুখে পড়ে চক্রের পাঁচ সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়তে সক্ষম হলেও স্থানীয়দের সাহসিকতায় তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে অবরুদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে দামুড়হুদা থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটককৃত তিন ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তল্লাশিতে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে বেশ কিছু ভুয়া ও জাল রশিদ বই উদ্ধার করা হয়। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, উদ্ধারকৃত ওই ভুয়া রশিদ বইগুলোতে ‘নাজমুল হোসাইন বিপ্লবী’ নামক এক ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর মুদ্রিত পাওয়া গেছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর কেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একই কুটিল কৌশলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল।

দামুড়হুদা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের মূল নেটওয়ার্ক উদঘাটনের জন্য বর্তমানে নিবিড় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চক্রের পলাতক অপর পাঁচ সদস্যকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।