সুদান গুরুং বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন ও অন্যান্য বিতর্কের প্রেক্ষিতে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যে এটি দেশটির নতুন সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ।
বুধবার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় গুরুং জানান, নৈতিকতার স্বার্থে তিনি পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নগুলো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
গুরুং গত ২৭ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তার কর্মকাণ্ড ও বিনিয়োগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ-এর প্রেস উপদেষ্টা নিশ্চিত করেছেন যে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজেই পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
গুরুং সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি নির্দেশ দিয়ে আলোচনায় আসেন। তাদের বিরুদ্ধে গত বছরের আন্দোলন দমনের ঘটনায় তদন্ত চলছিল।
নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ দুর্নীতি দমন, সুশাসন এবং স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। তার নেতৃত্বে সরকার ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পদ তদন্তে একটি কমিশনও গঠন করেছে।
এর আগে চলতি মাসেই শ্রমমন্ত্রীকেও পদ থেকে সরানো হয়, যা নতুন সরকারের ভেতরে শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুর্নীতির ধারণা সূচকে নেপালের অবস্থান এখনও নিচের দিকে থাকায়, সরকার এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
















