সালালাহ থেকে ফেরার পথে উটের সঙ্গে গাড়ির সংঘর্ষে প্রাণহানি, আরও তিনজন আশঙ্কাজনক
ওমানের সালালাহ শহরে সড়কে হঠাৎ উট উঠে আসায় নিয়ন্ত্রণ হারানো প্রাইভেটকারের দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন; গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছেন আরও তিনজন।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। সালালাহ শহর থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে একটি উট সড়কে চলে এলে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয় এবং পরিবারের আরও তিন সদস্য গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সালালাহর তাম্বেত এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ছোট ছিলোনিয়া গ্রামের ওমান প্রবাসী মো. শফিউর আলমের স্ত্রী বিলকিস আক্তার, তাদের একমাত্র ছেলে মুহাম্মদ সাকিবুল হাসান (সবুজ) এবং বিলকিস আক্তারের মেয়ের জামাই হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা মুহাম্মদ দিদার।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন সাকিবের বোন, তার স্ত্রী ও তাদের ছোট কন্যা। তাদের উদ্ধার করে সালালাহর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, তিনজনেরই শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিহত সাকিবের চাচা মো. জাহাঙ্গীর জানান, কয়েক দিন আগে পরিবারটি মাস্কাট থেকে হজরত আইয়ুব (আ.)–এর মাজার জিয়ারত ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে সালালাহ যান। শুক্রবার রাতে ঘোরাঘুরি শেষে ফেরার পথে সড়কে হঠাৎ উঠে আসা একটি উটের সঙ্গে গাড়িটির সংঘর্ষ হলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
তিনি বলেন, “আমার ভাবি, ভাতিজা আর মেয়ের জামাই একসঙ্গে চলে যাবে, এটা কখনো ভাবিনি। শোকটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”
সুন্দরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুল আজম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পৌঁছানোর পর ছোট ছিলোনিয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু পুরো এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।
















