, ,,
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাদারীপুরে বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনের চালা

    মাদারীপুরে বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনের চালা

    জ্বালানি তেল আমদানির দরপত্র জমার সময় ফের কমে ১০ দিন

    জ্বালানি তেল আমদানির দরপত্র জমার সময় ফের কমে ১০ দিন

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

    প্রতিকূলতার মধ্যেও বাটার মুনাফায় রেকর্ড প্রবৃদ্ধি, বেড়েছে ২৩৮ শতাংশ

    প্রতিকূলতার মধ্যেও বাটার মুনাফায় রেকর্ড প্রবৃদ্ধি, বেড়েছে ২৩৮ শতাংশ

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

    রাখাইনে তীব্র সংঘাত, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

    রাখাইনে তীব্র সংঘাত, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

    নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ইউরোপীয় দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক

    নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ইউরোপীয় দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক

    নতুন প্রজন্মের হাতেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    নতুন প্রজন্মের হাতেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাদারীপুরে বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনের চালা

    মাদারীপুরে বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনের চালা

    জ্বালানি তেল আমদানির দরপত্র জমার সময় ফের কমে ১০ দিন

    জ্বালানি তেল আমদানির দরপত্র জমার সময় ফের কমে ১০ দিন

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

    প্রতিকূলতার মধ্যেও বাটার মুনাফায় রেকর্ড প্রবৃদ্ধি, বেড়েছে ২৩৮ শতাংশ

    প্রতিকূলতার মধ্যেও বাটার মুনাফায় রেকর্ড প্রবৃদ্ধি, বেড়েছে ২৩৮ শতাংশ

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

    ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

    রাখাইনে তীব্র সংঘাত, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

    রাখাইনে তীব্র সংঘাত, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

    নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ইউরোপীয় দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক

    নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ইউরোপীয় দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক

    নতুন প্রজন্মের হাতেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    নতুন প্রজন্মের হাতেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

ভোটের ট্রেন ছুটছে: গন্তব্য কি সত্যিকারের পরিবর্তন?

TR-C2 /Tuhin by TR-C2 /Tuhin
December 15, 2025
in সম্পাদকীয়
0
ভোটের ট্রেন ছুটছে: গন্তব্য কি সত্যিকারের পরিবর্তন?

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কি হবে গণতন্ত্রের মোড় ঘোরানো পরীক্ষা?

তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশের নির্বাচন এখন সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা। ফেব্রুয়ারির ভোট কি সত্যিকারের পরিবর্তন আনবে, নাকি পুরোনো অনাস্থা ও বিতর্কই ফিরবে—এই বিশ্লেষণে উঠে এসেছে আশা, শঙ্কা ও বাস্তবতা।


নির্বাচনের ট্রেন এখন গর্জন তুলে ছুটছে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতির আকাশে জমে থাকা ধোঁয়াশা কিছুটা কাটলেও নতুন করে সামনে এসেছে পুরোনো প্রশ্ন—এবার কি নির্বাচন সত্যিই সুষ্ঠু হবে? রাতের ভোটের কালিমা কি অবশেষে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে, নাকি তা আবারও ফিরে আসবে নতুন রূপে?

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেবল একটি সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা পুনরুদ্ধার ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের লড়াই। দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার সংকুচিত থাকার পর জুলাইয়ের আন্দোলন মানুষের মনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। মানুষ এখন আর শুধু ক্ষমতার পালাবদল চায় না; তারা চায় নীতির পালাবদল, নেতৃত্বের গুণগত পরিবর্তন এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার।

কিন্তু বাস্তবতা সহজ নয়। পুরোনো রাজনৈতিক শক্তি, গোষ্ঠীস্বার্থ, প্রশাসনিক প্রভাব এবং অর্থবলের রাজনীতি এখনো সক্রিয়। তাই প্রশ্ন উঠছে—১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কি সত্যিই পরিবর্তনের বাহক হবে, নাকি আবারও একটি অকার্যকর ভোটের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভান তৈরি হবে?

গত এক দশকে ভোটের ওপর মানুষের আস্থা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ‘রাতের ভোট’ সংস্কৃতির কারণে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিতে না পারার অভিজ্ঞতা সাধারণ মানুষের মনে গভীর অনাস্থা তৈরি করেছে। এই বিশ্বাস ফেরানো নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তি, সিসিটিভি বা মনিটরিং ব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া আস্থা ফিরে আসবে না।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা তাই এবার নির্ধারক। কমিশন শুধু তফসিল ঘোষণা বা প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং দলীয় প্রভাব প্রতিহত করাই হবে তাদের আসল পরীক্ষা। কমিশনের দৃঢ়তা না থাকলে নির্বাচন আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

মাঠপর্যায়ের প্রশাসনও বড় বাস্তবতা। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের সমন্বয় অতীতে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে প্রশাসন কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে—এই প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে ভোটের ভবিষ্যৎ।

জুলাইয়ের আন্দোলনের পর আরেকটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—মানুষ চায় শিক্ষিত, সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনো অর্থবল ও প্রভাবশালীদের আধিপত্য দেখা যায়। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন তাই শুধু ভোটের নয়, নেতৃত্ব বাছাইয়ের সংস্কৃতি বদলানোর পরীক্ষাও।

তরুণ ভোটাররা এবার বড় নির্ধারক শক্তি। কর্মসংস্থান, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনা—এসবই তাদের প্রধান দাবি। যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তরুণ ভোটাররাই পরিবর্তনের চালিকাশক্তি হতে পারে। আর যদি তাদের প্রত্যাশা উপেক্ষিত হয়, তবে হতাশা আরও গভীর হবে।

অর্থনৈতিক সংকট এই নির্বাচনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকিং দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের ঘাটতি মানুষের জীবনকে চাপে রেখেছে। ফলে মানুষ এমন নেতৃত্ব খুঁজছে, যারা শুধু রাজনৈতিক ভাষণ নয়, বাস্তব অর্থনৈতিক সংস্কার দিতে সক্ষম হবে।

দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়ার আকাঙ্ক্ষাও এই নির্বাচনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দুর্নীতিবাজদের মনোনয়ন দেওয়া হলে বা জবাবদিহি এড়িয়ে গেলে ভোটের প্রতি আস্থা ফেরানো কঠিন হবে। জনগণ চায় এই নির্বাচন থেকেই রাষ্ট্রের পরিশুদ্ধির পথ শুরু হোক।

গণমাধ্যমের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সত্য প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো নির্বাচনই স্বচ্ছ হতে পারে না। অতীতের মতো যদি সাংবাদিকেরা চাপ বা ভয়ের মুখে থাকেন, তবে ভোটের বাস্তবচিত্র জনগণের কাছে অস্পষ্টই থেকে যাবে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বাংলাদেশকে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে নিতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের ভেতরের রাজনৈতিক সদিচ্ছা।

সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট। এটি হয়তো নতুন রাজনীতির সূচনা করবে, নয়তো পুরোনো অনাস্থা ও অস্থিরতাকে আরও গভীর করবে। প্রশ্ন একটাই—ভোট কি মানুষ দিতে পারবে, আর ফল কি সত্যিই ভোটের প্রতিফলন হবে?

এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ কোন পথে হাঁটবে—গণতন্ত্র, ন্যায় ও সুশাসনের পথে, নাকি অনিশ্চয়তা ও দ্বন্দ্বের পথে।

Tags: #গণতন্ত্র#তরুণভোটার#নির্বাচনবিশ্লেষণ#ফেব্রুয়ারিরনির্বাচন#বাংলাদেশরাজনীতি#ভোটাধিকার#ভোটেরট্রেন#রাষ্ট্রসংস্কার#সুষ্ঠুনির্বাচন
Previous Post

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রায়েদ সাদের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত

Next Post

বাংলাদেশবিরোধী কাজে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না: দিল্লি

TR-C2 /Tuhin

TR-C2 /Tuhin

Related Posts

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের বহুমাত্রিক তাৎপর্য
সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের বহুমাত্রিক তাৎপর্য

June 24, 2026
0
মেঘালয়ে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তোড়জোড়: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন ‘মরণফাঁদ’?
সম্পাদকীয়

মেঘালয়ে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তোড়জোড়: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন ‘মরণফাঁদ’?

April 29, 2026
0
বাংলাদেশে যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বিকশিত হতে পারে না
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বিকশিত হতে পারে না

April 17, 2026
0
রাষ্ট্রভাবনার পাশাপাশি কেন সমাজভাবনাও জরুরি
সম্পাদকীয়

রাষ্ট্রভাবনার পাশাপাশি কেন সমাজভাবনাও জরুরি

April 12, 2026
0
বাল্যবিবাহের পক্ষে প্রচার থামাবে কে
সম্পাদকীয়

বাল্যবিবাহের পক্ষে প্রচার থামাবে কে

April 12, 2026
0
ওরা দেশদ্রোহী
সম্পাদকীয়

জ্বালানি সংকটের জেরে নড়াইলে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা: দেশজুড়ে হাহাকার ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

March 30, 2026
0
Next Post
বাংলাদেশবিরোধী কাজে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না: দিল্লি

বাংলাদেশবিরোধী কাজে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না: দিল্লি

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • সাহেলে শহরাঞ্চলেও বাড়ছে জঙ্গি হামলা, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক বিশ্লেষকরা
  • প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • মাদারীপুরে বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনের চালা
  • কফির উপাদানে বার্ধক্য ঠেকানোর সম্ভাবনা, বলছে গবেষণা
  • জ্বালানি তেল আমদানির দরপত্র জমার সময় ফের কমে ১০ দিন

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • July 2026
  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025