সরকার জানাল—আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত; শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিতে কঠোর অবস্থান
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ—অপ্রয়োজনীয় ও বেআইনি আন্দোলন আর সহ্য করা হবে না।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কেউ বেআইনি আন্দোলনে নামলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে “স্পষ্ট নির্দেশনা” দিয়েছে।
তার বক্তব্যে উঠে আসে—
সমাজের বিভিন্ন গ্রুপ অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে আন্দোলনের চেষ্টা করছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে; এসব আন্দোলন আইনমতো নিয়ন্ত্রণ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
“আন্দোলন করলে আইনের আওতায় আনা হবে”
শফিকুল আলম জানান, সরকার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই তফসিল-পরবর্তী যেকোনো উসকানি বা অবৈধ সমাবেশ কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
তিনি বলেন—
“জাতি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। সেই পথে বাধা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ‘আগের চেয়ে ভালো’
তিনি জানান—
- গত ১৬ মাসে দেশে ২ হাজার আন্দোলন হয়েছে,
- কিন্তু কোনো বুলেট বা রাবার বুলেট ব্যবহার করা হয়নি,
- খুব সীমিত ক্ষেত্রেই লাঠিচার্জ বা টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ করা হয়েছে।
তার ভাষায়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে “বিরল সহনশীলতার নজির”।
নির্বাচন ঘিরে বিস্তৃত প্রস্তুতি
প্রেস সচিব জানান—
- দেড় লাখ পুলিশকে নতুন প্রশিক্ষণ,
- আনসার বাহিনীর প্রশিক্ষণ প্রায় শেষ,
- বডি ক্যামেরা ও সিসিটিভি ব্যবহারে বিশেষ প্রশিক্ষণ,
- মাঠ প্রশাসন—ওসি, এসপি, ডিসি, ইউএনও—পদায়ন সম্পন্ন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন—
“জাতিকে শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।”
















