সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে স্বজনপ্রীতি, আর্থিক লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ডিলারশিপ বণ্টনে রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সারের অবৈধ পাচার ও মজুতের ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও অভিযান সত্ত্বেও এসব অপতৎপরতা থামছে না।
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় সরকারি সারের নতুন ডিলার নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় চূড়ান্ত মনোনীতদের নিয়ে দলীয় প্রভাব, স্বজনপ্রীতি এবং অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ করেছেন বঞ্চিত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এমনকি অস্তিত্বহীন দোকান এবং এলাকা-বহির্ভূত ব্যক্তির নামেও ডিলারশিপ দেওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। এতে সাধারণ কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন।
একইভাবে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলাতেও ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সুপারিশকৃত তালিকায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধির স্বজন ও দলীয় নেতাদের নাম থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর বাইরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে অবৈধভাবে সার পাচারের সময় স্থানীয় জনতা সারের বস্তা আটক করে। অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অবৈধভাবে সার মজুত রাখার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।






















