ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে চলা এই অভিযানে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধী নেতা পিনারাই বিজয়নকে আটক করা হয়েছে।
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি-মার্কসবাদী (সিপিআইএম)-এর সংসদ সদস্য জন ব্রিটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিওবার্তায় বিজয়নকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রকাশিত ভিডিওতে বিজয়নের পাশাপাশি কেরালার সাবেক অর্থমন্ত্রী কে এন বালাগোপালকেও দেখা গেছে। ব্রিটাস অভিযোগ করেন, আটকের পর তাদের প্রথমে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে প্রায় আধা ঘণ্টার বেশি সময় আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের গাড়িতে তুলে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ঘোরানো হলেও নির্দিষ্ট কোনো গন্তব্যের কথা জানানো হয়নি।
তিনি আরও দাবি করেন, দিল্লি পুলিশ বর্তমানে গোটা শহরের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে সাধারণ মানুষের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে। মূলত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে পূর্বে হওয়া উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ আগাম এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুরো দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব চক, নয়াদিল্লিসহ রাজধানীর প্রায় ৪৫টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে আড়াই শতাধিক ট্রেনের শিডিউল বাতিল করার পাশাপাশি ২০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য ও কয়েকশত সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।























