ভোটকেন্দ্র, নিরাপত্তা, পোস্টাল ভোটিং ও বাজেটসহ গুরুত্বপূর্ণ ২২টি এজেন্ডায় ৩৪ বিভাগ উপস্থিত
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ২২টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্র, আইনশৃঙ্খলা, পোস্টাল ভোটিং, জনবল ও প্রচারণাসহ নানা বিষয়ে সমন্বয় করা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক প্রস্তুতি ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার দুপুর ৩টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরুদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি শুরু হয়।
ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের অবকাঠামো থেকে শুরু করে প্রচারণা, নিরাপত্তা, বাজেট, জনবল—মোট ২২টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আলোচনার তালিকায় রয়েছে। এই বৈঠকে সরকারের ৩৪টি বিভাগের প্রতিনিধি দল উপস্থিত হয়েছে।
আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা, জেলখানায় ভোটের ব্যবস্থা, ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়ন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পার্বত্য অঞ্চলে হেলিকপ্টার ব্যবহার, পর্যবেক্ষক অনুমোদন, ঋণখেলাপি প্রার্থী যাচাইসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ইসির একটি সূত্র জানায়, ভোটগ্রহণে নতুন প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয় এবং প্রচার কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা চলছে।
এর আগে শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন শেষে সিইসি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হতে পারে। তিনি জানান, গণভোট প্রচারণা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি, তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে ব্যাপক প্রচারণার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা কখনো পুরোপুরি নিখুঁত ছিল না হলেও সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটা শক্তিশালী হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার হওয়ায় ইসির এই বৈঠককে আগামী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
















