মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ভারতের কাছে ফেরত চাওয়া হলেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পায়নি বাংলাদেশ সরকার।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর তাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। তবে সেই চিঠির এখনও কোনো জবাব দেয়নি দিল্লি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ :
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর তাকে ফেরাতে ভারতের কাছে বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠির এখনও কোনো জবাব আসেনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে পাঠানো চিঠির জবাব কবে পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, ভারতের কাছ থেকে এত দ্রুত উত্তর পাওয়ার বিষয়েও ঢাকা আশাবাদী নয়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এটি একটি কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং এতে সময় লাগতে পারে। বাংলাদেশ সরকার নিয়মতান্ত্রিক পথেই বিষয়টি এগিয়ে নিচ্ছে।
নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য
নির্বাচন প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ নেই। ভারত যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায়, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই নেবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স থেকে এয়ারবাস বিমান না কেনার ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আগেও তাকে ফেরাতে একাধিকবার ভারতের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সব চিঠিরও কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাওয়া যায়নি। রায়ের পর সর্বশেষ আবারও দিল্লিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক আইন ও বিদ্যমান প্রত্যর্পণ কাঠামোর মধ্য দিয়েই শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
















