বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা গভীর করতে পিএনএসসি ও বিএসসিকে যুক্ত করে আনুষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। লন্ডনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের সমুদ্র বিষয়ক মন্ত্রীর প্রস্তাব।
লন্ডনে বৈঠকে পাকিস্তানের প্রস্তাব—যৌথ শিপিং সেবা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, বন্দর-থেকে-বন্দর সহযোগিতা ও সুনীল অর্থনীতিতে অংশীদারিত্বের আহ্বান
২৫ নভেম্বর ২০২৫ :
দক্ষিণ এশিয়ার সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা জোরদার করতে পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশন (পিএনএসসি) এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।
লন্ডনে বাংলাদেশের নৌপরিবহনবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের সমুদ্র বিষয়ক মন্ত্রী মুহাম্মদ জুনাইদ আনোয়ার চৌধুরী এ প্রস্তাব দেন। বিষয়টি পাকিস্তানি দৈনিক ডন তাদের প্রতিবেদনে তুলে ধরে।
যৌথ শিপিং ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা
প্রস্তাবে যৌথ কন্টেইনার ও বাল্ক শিপিং সেবা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, বন্দর-কল সুবিধা বিনিময়সহ সমুদ্র পরিবহন উন্নয়নে বিস্তৃত সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সংযোগ বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়।
আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতার ইঙ্গিত
পাকিস্তানের মন্ত্রী জানান, আইএমও, আইএলও এবং আঞ্চলিক সামুদ্রিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তোলাই তাদের বৃহত্তর লক্ষ্য।
বন্দর-থেকে-বন্দর যোগাযোগ জোরদারের কথা
তার মতে, বন্দর-ভিত্তিক সরাসরি যোগাযোগ বাড়লে সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে, আঞ্চলিক বাধা কমবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যিক একীভবনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাদেশ–পাকিস্তান সমুদ্র সংলাপ শুরুর পরিকল্পনা
বৈঠকে উভয় পক্ষই সম্মত হয় যে সমুদ্র পরিবহন, বন্দর উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি, মৎস্যসম্পদ এবং উদীয়মান সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিয়মিত সংলাপ শুরু করার জন্য একটি কাঠামোগত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে।
















