ভারতীয় ফোন নম্বর ব্যবহার করে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পুলিশের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের হুমকি বাড়ছে। পরিবারসহ কর্মকর্তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে সিমের মালিকানা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নাশকতা দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় মাঠপর্যায়ের পুলিশকে ভয় দেখানো হচ্ছে; ইন্টারপোলের সহায়তায় সিমের মালিকানা যাচাই শুরু।
বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এক নতুন উদ্বেগজনক দিক—ভারতীয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছে পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। নাশকতা দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর হুমকির মাত্রা আরও বেড়ে গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন থানার অফিসারদের ফোন করে শুধু ভয়ই দেখানো হচ্ছে না, বরং চাকরি শেষে পর্যন্ত নিরাপত্তাহীনতার হুমকি, এমনকি পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার কথাও বলা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকির অডিও প্রকাশ করে এ আতঙ্ক আরও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানার এসআই মনির হাসান এমনই এক হুমকি পেয়েছেন। সন্ত্রাস দমন আইনের মামলার তদন্ত করায় এক ব্যক্তি তাকে ফোনে ভয় দেখায়। পরে জানা যায়, ওই কলটি এসেছে ভারতীয় নম্বর থেকে।
পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে—ব্যবহৃত সিম কার মালিকানাধীন এবং কোথা থেকে পরিচালিত হচ্ছে তা জানতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা জোরদারের কথাও বিবেচনায় আছে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন হুমকি কর্মকর্তাদের মানসিক চাপে ফেলে। সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা এটিকে “ক্রিমিনাল অফেন্স” উল্লেখ করে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ওপর জোর দিয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তর যদিও বলছে এ নিয়ে তারা “উদ্বিগ্ন নয়”, কিন্তু মাঠের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাহীনতার বাস্তবতা ক্রমেই বাড়ছে।
















