এক দিনে তিনবার ভূমিকম্পে আতঙ্কে রাজধানী ও নরসিংদী। বারবার কম্পনের উৎপত্তিস্থল নরসিংদী; ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কমিটি কাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন—এটি বড় ভূমিকম্পের আগাম সংকেত।
সকালে একবার, সন্ধ্যায় পরপর দুইবার কম্পন – উৎপত্তিস্থল বারবার নরসিংদী; ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কমিটি গঠন
দেশজুড়ে ভূমিকম্প আতঙ্ক আরও তীব্র। মাত্র সাড়ে সাত ঘণ্টার ব্যবধানে শনিবার তিনবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশে। সকালে নরসিংদীর পলাশে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পনের পর সন্ধ্যায় রাজধানী ও আশপাশের জেলায় পরপর দুই দফা কম্পন সৃষ্টি হয়। প্রথমটি ৩ দশমিক ৭ এবং দ্বিতীয়টি ৪ দশমিক ৩ মাত্রার বলে নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
উৎপত্তিস্থল—বারবার নরসিংদী। বিশেষজ্ঞদের মতে, একই এলাকায় ঘনঘন কম্পন বড় ভূমিকম্পের আগাম সংকেত হতে পারে। শুক্রবারের ভূমিকম্পে যেখানে শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেখানকার বাসিন্দারা এখনও আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন।
নরসিংদীর বহুতল ভবন, কাঁচা ঘর ও মাটিতে নতুন ফাটল দেখা দিয়েছে; সাধারণ মানুষ ঘরে ঢুকতে ভয় পাচ্ছেন। জেলার হাসপাতালগুলোতে এখনো শতাধিক আহত চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের কারণে আজ সব ক্লাস–পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ছাত্রী হলগুলোতে হুড়োহুড়িতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনাও নিশ্চিত হয়েছে।
এদিকে, জেলার বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি মাঠে নেমেছে। হেলে পড়া ও ফাটলধরা ভবন চিহ্নিত করতে পৃথক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে—“নরসিংদী আরও সতর্ক থাকতে হবে।”
বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, ঘনঘন ভূকম্পন এখন বড় বিপদের স্পষ্ট ইঙ্গিত।
















