সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা দিলেন—আসন্ন নির্বাচনই বাংলাদেশকে নিয়ে যাবে “নতুন যাত্রার পথে”। সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে নির্বাচনকে সফল করার আহ্বান।
ঢাকার সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা দিলেন—আসন্ন নির্বাচনই বাংলাদেশকে নিয়ে যাবে “নতুন যাত্রার পথে”।
তিনি বলেন, নির্বাচন যেন হয় উৎসবমুখর, নির্ঝঞ্ঝাট ও সর্বাঙ্গসুন্দর; আর এ কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে সশস্ত্র বাহিনী।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, ২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশ পুনর্গঠনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী যেভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে, গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রতি সেই আস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনীগুলোর আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজন দ্রুতগতিতে চলছে। ফ্যাসিস্ট আমলে এই উন্নয়ন বাধাপ্রাপ্ত হলেও অন্তর্বর্তী সরকার “ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বড় পদক্ষেপ” নিয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বরের যৌথ অভিযানের কথা—যা চূড়ান্ত বিজয়ের পথ খুলে দিয়েছিল।
একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের বৈশ্বিক সুনাম ও নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণে অগ্রণী ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
অধ্যাপক ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন হবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়—যা দেশকে এগিয়ে নেবে ভবিষ্যতের “নতুন বাংলাদেশ”-এর পথে।
















