Dhaka ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস সংকট: নেপথ্যের কারণ ও বর্তমান পরিস্থিতি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের মানুষের মাঝে নতুন আশা তৈরি হলেও বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিশৃঙ্খল অর্থনীতি বর্তমান প্রশাসনকে প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে। সাম্প্রতিক দেশব্যাপী তীব্র গ্যাস সংকটকালে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে খোদ প্রধানমন্ত্রীকে জনগণের কষ্ট অনুধাবন করে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়েছে। সড়কে গ্যাস স্টেশনের দীর্ঘ সারি, কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে যাওয়া এবং বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকার ফলে জনঅসন্তোষ চরমে পৌঁছায়। এই সংকটের মূলে ছিল দীর্ঘমেয়াদী অবহেলা ও ভুল নীতি।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনফুট। অতীতে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর বদলে আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার নীতি নেওয়া হয়। বিগত সরকারের উদাসীনতার কারণে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। অথচ দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে যথোপযুক্ত বিনিয়োগ করলে এই পরনির্ভরশীলতা এড়ানো সম্ভব ছিল। বাংলাদেশে ৩০টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলেও গত এক দশকে নতুন কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে জোরালো ভূমিকা রাখা হয়নি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের এই সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নতুন বিনিয়োগ এবং অফশোর ড্রিলিং কার্যক্রম দ্রুত শুরু না করলে জ্বালানি নিরাপত্তা টেকসই করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস সংকট: নেপথ্যের কারণ ও বর্তমান পরিস্থিতি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের মানুষের মাঝে নতুন আশা তৈরি হলেও বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিশৃঙ্খল অর্থনীতি বর্তমান প্রশাসনকে প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে। সাম্প্রতিক দেশব্যাপী তীব্র গ্যাস সংকটকালে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে খোদ প্রধানমন্ত্রীকে জনগণের কষ্ট অনুধাবন করে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়েছে। সড়কে গ্যাস স্টেশনের দীর্ঘ সারি, কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে যাওয়া এবং বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকার ফলে জনঅসন্তোষ চরমে পৌঁছায়। এই সংকটের মূলে ছিল দীর্ঘমেয়াদী অবহেলা ও ভুল নীতি।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনফুট। অতীতে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর বদলে আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার নীতি নেওয়া হয়। বিগত সরকারের উদাসীনতার কারণে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। অথচ দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে যথোপযুক্ত বিনিয়োগ করলে এই পরনির্ভরশীলতা এড়ানো সম্ভব ছিল। বাংলাদেশে ৩০টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলেও গত এক দশকে নতুন কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে জোরালো ভূমিকা রাখা হয়নি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের এই সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নতুন বিনিয়োগ এবং অফশোর ড্রিলিং কার্যক্রম দ্রুত শুরু না করলে জ্বালানি নিরাপত্তা টেকসই করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।