প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের ভোট নয়, বরং দেশ রক্ষার নির্বাচন। জেলা প্রশাসকদের সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে ডিসিদের কঠোর সততা ও নিরপেক্ষতার নির্দেশ
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে “দেশ রক্ষার নির্বাচন” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সদ্য পদায়নকৃত ৫০ জেলা প্রশাসকসহ ৬৪ জেলার ডিসিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইউনূস বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নয়—জুলাই গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনের কেন্দ্রীয় ধাপ এটি। গণভোট যুক্ত হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বহুগুণ বেড়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, “এটি গতানুগতিক কোনো নির্বাচন নয়; এটি গণঅভ্যুত্থানকে পূর্ণতা দেওয়ার নির্বাচন, জাতির ভবিষ্যতের শতাব্দীর গতিপথ নির্ধারণ করবে।” জেলা প্রশাসকদের সততা, নিরপেক্ষতা ও সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারী ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি—এ নির্বাচন তাদের অধিকার পুনরুদ্ধারেরও সুযোগ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে—এতে ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”
বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব এবং সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
















