অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, ভয়ভীতি সৃষ্টি এবং ভূমি দখলের অভিযোগে ইসরায়েলি উগ্র বসতি স্থাপনকারী একটি গোষ্ঠীকে ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক বছরে এই গোষ্ঠীর প্রভাব এবং কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উনিশশো আটানব্বই সালে গোষ্ঠীটির কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে তারা অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় নতুন বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব বসতি অবৈধ হলেও সময়ের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফিলিস্তিনি গ্রাম ও বসতিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই বসতি স্থাপনকারীদের হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় পৌঁছেছে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, গোষ্ঠীটির সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের কর্মকাণ্ড প্রচার করছে এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ ও অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কিছু কর্মকাণ্ডকে দেশের মূলধারার ডানপন্থী রাজনীতির একটি অংশ সমর্থন করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের সময়ে বসতি সম্প্রসারণে প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তা সহায়তা এবং অবকাঠামোগত সুবিধা এই গোষ্ঠীর কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একসময় প্রান্তিক হিসেবে পরিচিত এই গোষ্ঠী এখন ইসরায়েলের ডানপন্থী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করছে। কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপের অভাবে ভবিষ্যতেও তাদের প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
















