গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার কেবল হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের পরই হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বোর্ড অব পিস। এদিকে হামাস বলেছে, ইসরায়েল নিজ দায়বদ্ধতা পালন না করলে চুক্তির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
সোমবার পশ্চিম জেরুজালেমে বোর্ড অব পিসের মহাপরিচালক নিকোলাই ম্লাদেনভ ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর বোর্ড এক বিবৃতিতে জানায়, হামাসের হালকা ও ভারী অস্ত্র এবং ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হওয়ার পরই গাজার ‘ইয়েলো লাইন’-এর বাইরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। তাদের ভাষায়, গাজায় অস্ত্রের পরিবর্তে বেসামরিক শাসন প্রতিষ্ঠাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
অন্যদিকে হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েল চুক্তির নিজস্ব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করলে তারা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি এগিয়ে নেবে না। একই সময়ে গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। বোর্ডের মহাপরিচালক ম্লাদেনভ বৈঠকে নেতানিয়াহুকে হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও সামরিক অভিযান থামেনি।
এদিকে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী জোট সরকারের কয়েকজন নেতা প্রকাশিত চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ দাবি করেছেন, প্রকাশিত চুক্তি সরকার অনুমোদিত খসড়ার সঙ্গে মিল নেই এবং এ বিষয়ে নতুন করে মন্ত্রিসভার ভোট হওয়া উচিত।
মধ্যস্থতাকারী মিসর, কাতার ও তুরস্ক যৌথ বিবৃতিতে বেসামরিক মানুষ ও স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে হামলার নিন্দা জানিয়ে এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।















