যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির ওপর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানোর রাজনৈতিক চাপ বেড়েছে। নতুন শুল্ক আগামী ১৯ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে এবং এটি দুই দেশের চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কানাডা মার্কিন গাড়ি, দুগ্ধজাত পণ্য ও অ্যালকোহলের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নীতি অনুসরণ করছে। অন্যদিকে কানাডা এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে মনে করছে এবং সম্ভাব্য পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সব বিকল্প বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) নবায়ন নিয়ে আলোচনা চললেও নতুন শুল্ক সেই প্রক্রিয়ায় চাপ সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কানাডাকে দ্রুত একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছে।
কানাডার বিভিন্ন প্রাদেশিক নেতা ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা সরকারকে ছাড় না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, অতিরিক্ত ছাড় দিলে তা কানাডার অর্থনৈতিক স্বার্থ, জাতীয় মর্যাদা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
এদিকে কানাডার সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত বাণিজ্য চুক্তিই তাদের মূল লক্ষ্য। তবে প্রয়োজন হলে নতুন মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ নিতেও তারা প্রস্তুত রয়েছে।
















