পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক সহিংসতা, বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই আঞ্চলিক আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন তিন ধাপে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি এলাকায় ভোটের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে ভারত-শাসিত কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানে বসবাসকারী শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন নিয়ে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এসব আসন বাতিল করে কেবল পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। তবে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, সংবিধান সংশোধন ছাড়া এ ব্যবস্থা পরিবর্তন সম্ভব নয়।
এদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএকেজেএএসি) নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির কয়েকজন সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেও তা বাতিল হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এতে নির্বাচনের অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে গেলেও বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতা ভোটার উপস্থিতি ও নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং নির্বাচন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন শেষ হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংকট, আন্দোলনের দাবি এবং জনগণের অসন্তোষ দ্রুত নিরসন হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
















