যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নিহত এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। ঘটনাটি দেশজুড়ে অভিবাসন অভিযান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, তিনি নির্মাণকাজে শ্রমিকদের নিয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ছিলেন। তাদের ধারণা, পরিচয়বিহীন গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন এবং নিজের সরঞ্জাম ছিনতাইয়ের আশঙ্কা করেছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন এবং বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক অভিযোগ ছিল না। পরিবারের ভরণপোষণের পাশাপাশি বহু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি।
নিহতের ছেলে বলেন, তার বাবাকে শুধু একজন অভিবাসী হিসেবে নয়, একজন স্বামী, বাবা এবং পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে মনে রাখা উচিত। তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।
অন্যদিকে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ দাবি করেছে, অভিযানের সময় নিহত ব্যক্তি তার গাড়ি দিয়ে কর্মকর্তাদের ওপর আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালানো হয়েছে বলে তাদের বক্তব্য। তবে ঘটনার কোনো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বা দৃশ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসনবিরোধী অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং নির্বিচারে আটক করার প্রবণতা বেড়েছে। যদিও সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে প্রতিবেশী দেশের সরকারও ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টি উত্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন অভিযান চলাকালে একাধিক প্রাণহানির ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
















