পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক চেকপয়েন্টে আটকে জরুরি চিকিৎসা না পাওয়ায় চার মাস বয়সী এক ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই দিনে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এছাড়া গাজা উপত্যকায় পৃথক হামলায় আরও দুই ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইসরায়েলি চেকপয়েন্টে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য করা হয়। এতে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসনের অভিযোগ, চেকপয়েন্টে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা দেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে টিয়ার গ্যাসও নিক্ষেপ করা হয়। তাদের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ মানুষের চলাচলের স্বাধীনতা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করছে।
এদিকে পশ্চিম তীরের একটি শরণার্থী শিবিরে অভিযান চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ষোল বছর বয়সী এক কিশোর নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুই কিশোর।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে গাজা সিটির একটি সড়কে ড্রোন হামলায় অন্তত দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও বিভিন্ন হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় নিহতের সংখ্যা তিয়াত্তর হাজার নব্বই জনে পৌঁছেছে। আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ তিয়াত্তর হাজার পাঁচশ পঞ্চাশ জন।
















