বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের নতুন সামরিক স্থাপনা:
| স্থাপনার নাম | অবস্থান | উদ্দেশ্য |
| চোপড়া সামরিক ঘাঁটি | পশ্চিমবঙ্গের চোপড়া (উত্তর দিনাজপুর) | ‘চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে’ খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে চালু করা হয়েছে। সেনাদের সক্রিয় থাকতে এবং সর্বোচ্চ কার্যকরী প্রস্তুতি বজায় রাখতে নির্দেশনা। |
| লাচিত বরফুকন সামরিক স্টেশন | আসামের ধুবরির বামুনিগাঁও | সীমান্তরেখা বরাবর ‘প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে’। ভারতীয় সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা ও অবকাঠামোগত শক্তি বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। |
পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডারের কার্যক্রম ও বার্তা:
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নতুন চালু হওয়া চোপড়া ঘাঁটি এবং আসামের ধুবরির সামরিক স্টেশন দুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন স্থান পরিদর্শন করেন।
- চোপড়া পরিদর্শন: তিনি মোতায়েন করা সেনাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং তাদের “সর্বোচ্চ মানের কার্যকরী প্রস্তুতি বজায় রাখতে এবং ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সক্রিয় থাকতে” বলেছেন।
- ধুবরি স্টেশন: এই সামরিক স্টেশনটির নামকরণ করা হয়েছে আহোম সাম্রাজ্যের সেনাপতি লাচিত বরফুকনের নামে, যা সাহস, নেতৃত্ব ও দৃঢ়তার অদম্য চেতনাকে প্রতিফলিত করে।
- পর্যালোচনা: পরিদর্শনকালে তিনি সীমান্তের কার্যকরী প্রস্তুতি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।
- সামরিক-বেসামরিক সহযোগিতা: তিনি চোপড়া বিধানসভা এলাকার বিধায়ক হামিদুল রহমানসহ অন্যান্য বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং “আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নে সামরিক-বেসামরিক সহযোগিতার গুরুত্ব” পুনর্ব্যক্ত করেন।
চোপড়ার এই ঘাঁটিটি ‘চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে’ খুবই কম সময়ের মধ্যে চালু করা হয়েছে।
















