যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন এক অচলাবস্থায় পৌঁছালেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি কূটনীতির সমাপ্তি নয়। বরং দীর্ঘ আলোচনার পথে এটি একটি স্বাভাবিক ধাপ।
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য বৈঠক বাতিল করার পর দুই দেশের সরাসরি আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে হবে। অন্যদিকে ইরান বলছে, অবরোধ ও চাপের মধ্যে কোনো আলোচনা গ্রহণযোগ্য নয়।
একই সময়ে স্ট্রেইট অব হরমুজ নিয়ে বিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বড় আন্তর্জাতিক সমঝোতা সাধারণত দীর্ঘ সময় নেয় এবং মাঝপথে এমন অচলাবস্থা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। অতীতে JCPOA চুক্তি বাস্তবায়নের আগেও দীর্ঘ আলোচনা ও স্থবিরতা দেখা গিয়েছিল।
বর্তমানে সরাসরি আলোচনা বন্ধ থাকলেও পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আঞ্চলিক কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় পক্ষ নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতে জড়ানোর ঝুঁকি কম। ইরান সাম্প্রতিক ক্ষতির পর পুনর্গঠনের সময় চাইছে, আর যুক্তরাষ্ট্রও দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এড়িয়ে চলতে আগ্রহী। এর ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থায় রূপ নিতে পারে।
তাদের মতে, এই অচলাবস্থা কাটাতে সময় লাগবে এবং ধাপে ধাপে ছোট সমঝোতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বড় কোনো চুক্তির পথ তৈরি হতে পারে।
















