আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতে অ্যাথলেটদের মধ্যে ডোপিং ঝুঁকি এখন ‘অত্যন্ত উচ্চ’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে দেশটির অ্যাথলেটদের জন্য আরও কঠোর ডোপিংবিরোধী নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অ্যাথলেটিক্স সততা সংস্থা জানিয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ডোপিং সংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের ঘটনায় ভারত শীর্ষ দুই দেশের মধ্যে রয়েছে। এ কারণে দেশটিকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখন ভারতীয় অ্যাথলেটদের আরও কঠোর পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে এবং নিয়মকানুন আরও কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে ডোপিং সমস্যা গুরুতর হলেও দেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সেই তুলনায় দুর্বল রয়ে গেছে। ফলে পরিস্থিতি উন্নয়নে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এদিকে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডোপিং প্রতিরোধে সংস্কার আনার জন্য বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। তারা এই সমস্যাকে কঠোরভাবে দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় এশিয়ান গেমসে স্বর্ণজয়ী এক তীরন্দাজ ডোপিং নিয়ম ভঙ্গের দায়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন, যা সমস্যাটির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করেছে।
বিশ্ব ডোপিংবিরোধী সংস্থার প্রধানও বলেছেন, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির ওষুধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারত বড় উৎস হয়ে উঠেছে। তবে তিনি মনে করেন, এই সমস্যা থাকলেও আন্তর্জাতিক বড় ক্রীড়া আয়োজনের আয়োজক হওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের সম্ভাবনা পুরোপুরি নষ্ট হবে না।
উল্লেখ্য, ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত এবং ভবিষ্যতে অলিম্পিক আয়োজনের লক্ষ্যও রয়েছে। তবে ডোপিং সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা এখন দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
















