বিতর্কিত বহিষ্কার নীতিতে নতুন প্রশ্ন, প্রতিশোধমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ
আদালতে সমালোচনা, বিকল্প দেশ হিসেবে কোস্টারিকার প্রস্তাবও উপেক্ষিত
যুক্তরাষ্ট্র সরকার সালভাদোরীয় অভিবাসী কিলমার আব্রেগো গার্সিয়াকে লাইবেরিয়ায় বহিষ্কারের পরিকল্পনায় অনড় থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আইনজীবীরা এক ফেডারেল আদালতে জানান, গার্সিয়াকে আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।
তবে গার্সিয়া নিজে জানিয়েছেন, তাকে যদি বহিষ্কার করতেই হয়, তাহলে তিনি কোস্টারিকায় যেতে চান, এবং সেই দেশ তাকে গ্রহণ করতেও প্রস্তুত।
এই অবস্থায় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা বেড়েছে, অনেকেই এটিকে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
গার্সিয়ার ঘটনা শুরু হয় ২০২৫ সালে, যখন তাকে ভুলবশত নিজ দেশ এল সালভাদরে ফেরত পাঠানো হয়, যদিও আগে থেকেই তার নিরাপত্তা নিয়ে আদালতের সুরক্ষা আদেশ ছিল।
পরে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তার ফেরত আনার নির্দেশ দিলেও, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কয়েক মাস সময় লাগে।
দেশে ফেরার পর তার বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগ আনা হয়, যা তিনি অস্বীকার করেছেন।
মুক্তি পেলেও তিনি আবার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে পড়েন এবং পুনরায় বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
শুনানিতে বিচারক প্রশ্ন তোলেন, কেন কোস্টারিকার মতো বিকল্প থাকা সত্ত্বেও লাইবেরিয়াকে বেছে নেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, গার্সিয়া চাইলে নিজেই কোস্টারিকায় যেতে পারেন, তবে বিচারক এই যুক্তিকে “অবাস্তব” বলে মন্তব্য করেন।
এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
















