সীমান্ত সংঘাত থামাতে আলোচনায় অগ্রগতি, আশাবাদ কাবুলের
তবে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি কমেনি
আফগানিস্তান জানিয়েছে, চীনের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা “গুরুত্বপূর্ণ” ও ফলপ্রসূ হয়েছে।
চীনের উরুমকি শহরে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা শুরু হয় গত সপ্তাহে, যার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘাত বন্ধ করা।
কাবুলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি আলোচনায় অগ্রগতির বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন এবং আশা করছেন ছোটখাটো মতভেদ আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করবে না।
এই সংলাপ আয়োজনের জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, পাশাপাশি সৌদি আরব, তুরস্ক, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যস্থতাকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় এক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যার জবাবে আফগানিস্তানও সীমান্ত এলাকায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
তবে আলোচনার মধ্যেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। আফগানিস্তান অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান সীমান্তে গোলাবর্ষণ চালিয়ে বেসামরিক মানুষ হতাহত করছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছে—যা কাবুল অস্বীকার করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস ও নিরাপত্তা উদ্বেগ দূর না হলে স্থায়ী সমাধান কঠিন হবে।
















