চলতি মাস থেকেই শুরু হবে বহিষ্কৃতদের আগমন, খরচ বহন করবে যুক্তরাষ্ট্র
মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ, সমালোচনায় বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা
গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত তৃতীয় দেশের নাগরিকদের তারা গ্রহণ করবে নতুন এক চুক্তির আওতায়। এই ব্যবস্থার অধীনে চলতি মাস থেকেই এসব অভিবাসী দেশটিতে আসতে শুরু করবে।
কঙ্গোর যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এটি একটি সাময়িক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সংহতি ও মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, বহিষ্কারের সব ব্যয় বহন করবে যুক্তরাষ্ট্র এবং কঙ্গো সরকারকে কোনো আর্থিক চাপ নিতে হবে না।
এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র কঙ্গো ও রুয়ান্ডার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং কঙ্গোর খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে তৃতীয় দেশে অভিবাসী পাঠানোর এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছেন, যেসব দেশে অভিবাসীদের পাঠানো হচ্ছে, সেগুলো তাদের নিজ দেশ নয়, ফলে নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে একই ধরনের বহিষ্কার কার্যক্রম চালিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির পরিপন্থী হতে পারে এবং এতে অভিবাসীদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা কোথায় পাঠানো হবে সে বিষয়ে তাদের কোনো মতামত থাকে না, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতি ভবিষ্যতে আরও বড় মানবাধিকার বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
















