মূল কারণ হলো হরমুজের সঙ্কটজনিত তেল সরবরাহের ঘাটতি। ইরানের অবরোধের কারণে প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল গালফ তেল প্রতিদিন “ব্লক” হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোপ এবং এশিয়ার বড় ক্রেতারা বিকল্প উৎস খুঁজছে, এবং রাশিয়ার ইউরালস ক্রুড সেই চাহিদা পূরণ করছে।
মূল ক্রেতারা হলো ভারত ও চীন, যারা রাশিয়ার জাহাজের মধ্যবর্তী পথে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। টার্কি, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু ছোট রিফাইনারিও রাশিয়ার তেল ব্যবহার করছে। কিছু ট্যাঙ্কার “শ্যাডো ফ্লিট” ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজের উৎস লুকিয়ে সরবরাহ করছে।
মূল্য বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য: যুদ্ধের আগে ইউরালস তেল $৬০ প্রতি ব্যারেল ছিল, এখন প্রায় $৯০–$১০০। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে, যা রাশিয়াকে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ দিয়েছে।
যদি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আবার কার্যকর হয়, তবে তেলের ক্রেতারা দাম কমাতে বাধ্য হতে পারে। তবে বাজারে তেলের ঘাটতি চলতে থাকলে, প্রধান ক্রেতারা — যেমন ভারত — বিকল্প না পেলে রাশিয়ার তেল কিনতেই বাধ্য হবে।
অন্য দেশের সম্ভাব্য লাভ: নরওয়ে এবং কানাডা উৎপাদন বাড়িয়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় সরবরাহ বাড়াতে পারে, তবে তাদের সীমিত অবকাঠামোর কারণে স্বল্প সময়ে বড় বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
সারসংক্ষেপে, রাশিয়ার তেল বর্তমান সংকট থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছে, বিশেষ করে যখন হরমুজ সঙ্কট এবং যুদ্ধজনিত বাজার অস্থিরতা চলছে।
















