সৌদি আরব, কাতার, মিসর, ইসরায়েলসহ ১৫টির বেশি দেশের জন্য সতর্কবার্তা; নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ও পাল্টা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের ১৫টিরও বেশি দেশ থেকে অবিলম্বে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর সোমবার এ সতর্কবার্তা জারি করে।
সতর্কবার্তায় যেসব দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরা নামদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তালিকাভুক্ত দেশগুলো থেকে মার্কিন নাগরিকদের এখনই বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে চলে যেতে হবে।
এর আগে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জানায়, হুমকির কারণে তাদের কর্মীরা কূটনৈতিক স্থাপনা ত্যাগ করেছেন।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক প্যাটি কালহেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের ঘোষণা অস্বাভাবিক। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র সরকার আনুষ্ঠানিক নীতিগত ঘোষণা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় প্রকাশ করে থাকে। তিনি বলেন, এভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া বিরল এবং এটি কতটা আনুষ্ঠানিক নীতি, তা স্পষ্ট নয়।
তিনি আরও বলেন, চলমান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন নাগরিকরা কীভাবে নিরাপদে বের হবেন, সেটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা চালায়, যাতে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন বলে জানানো হয়। পাল্টা জবাবে তেহরানও অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেন, সংঘাত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তবে তা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
















