দুপুর ২:৫৬, রবিবার,৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    কাপ্তাই হ্রদে নৌকাডুবি: তিন দিন পর তরুণের মরদেহ উদ্ধার

    কাপ্তাই হ্রদে নৌকাডুবি: তিন দিন পর তরুণের মরদেহ উদ্ধার

    ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের কর্মসূচি

    ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের কর্মসূচি

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা

    প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী

    ৭৫ বছর বয়সী নারীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট

    ৭৫ বছর বয়সী নারীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট

    চট্টগ্রাম নগরে আবারও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

    চট্টগ্রাম নগরে আবারও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

    এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬.৬৮ শতাংশ, কার্যকর জুন থেকেই

    এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬.৬৮ শতাংশ, কার্যকর জুন থেকেই

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    কাপ্তাই হ্রদে নৌকাডুবি: তিন দিন পর তরুণের মরদেহ উদ্ধার

    কাপ্তাই হ্রদে নৌকাডুবি: তিন দিন পর তরুণের মরদেহ উদ্ধার

    ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের কর্মসূচি

    ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের কর্মসূচি

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা

    প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিষ্ঠানটির নাম পাল্টে মায়ের নামে করতে রাজি হলেন না প্রধানমন্ত্রী

    ৭৫ বছর বয়সী নারীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট

    ৭৫ বছর বয়সী নারীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট

    চট্টগ্রাম নগরে আবারও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

    চট্টগ্রাম নগরে আবারও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

    এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬.৬৮ শতাংশ, কার্যকর জুন থেকেই

    এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬.৬৮ শতাংশ, কার্যকর জুন থেকেই

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

গাজা ও ইউক্রেন সংকটে ট্রাম্পের বাস্তব শান্তির পরীক্ষা

Correspondent 1 by Correspondent 1
অক্টোবর ২৬, ২০২৫
in আন্তর্জাতিক সংবাদ
0
গাজা ও ইউক্রেন সংকটে ট্রাম্পের বাস্তব শান্তির পরীক্ষা

গাজা ও ইউক্রেন সংকটে ট্রাম্পের বাস্তব শান্তির পরীক্ষা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করছেন। তাঁর দাবি, গাজা ও ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর এই প্রচেষ্টা এখনো কেবল প্রতীকি পর্যায়েই সীমাবদ্ধ, বাস্তবসম্মত কোনো সমাধান সেখানে নেই।

সমস্যার মূল কারণ ট্রাম্পের ভুল ধারণা—তিনি “শান্তি”কে “যুদ্ধবিরতি”র সমার্থক ভেবে বসেছেন। ইতিহাস বলছে, কেবল যুদ্ধবিরতি কখনো স্থায়ী শান্তি আনে না। যুদ্ধ শেষ করতে হলে রাজনৈতিক বিরোধের মূল কারণগুলো সমাধান করতে হয়, যা ট্রাম্প এখনো করেননি।

গাজা সংকট নিয়ে ট্রাম্প একটি “শান্তি পরিকল্পনা” উপস্থাপন করেছেন, তবে সেটি কার্যত কেবল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব। এতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি উপেক্ষিত হয়েছে। প্রকৃত শান্তির জন্য প্রয়োজন—ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধ, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ফিলিস্তিনের জাতিসংঘ সদস্যপদ, এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ। এই মৌলিক উপাদানগুলো ট্রাম্পের পরিকল্পনায় অনুপস্থিত, যার ফলে কোনো দেশই এখন পর্যন্ত তা সমর্থন করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই উদ্যোগ মূলত আরব ও মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক সমর্থনকে দুর্বল করার কৌশল। এতে ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল ও গাজায় হামলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, “নিরাপত্তা”র অজুহাতে মানবিক সহায়তা সীমিত করে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘে স্পষ্ট করেছেন যে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কোনো সুযোগ তিনি রাখতে চান না। ট্রাম্পের অবস্থানও কার্যত সেই নীতিকেই এগিয়ে নিচ্ছে। ফলে তাঁর পরিকল্পনাও ওসলো চুক্তি বা ক্যাম্প ডেভিডের মতোই ব্যর্থতার পথে হাঁটছে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যদি ট্রাম্প সত্যিই যুদ্ধ শেষ করতে চান, তবে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক-শিল্প গোষ্ঠী এবং বড় কর্পোরেট স্বার্থের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে ২১.৭ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দিয়েছে, যার বড় অংশই মার্কিন অস্ত্র শিল্পে ফিরে গেছে।

একইভাবে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তিনি “২৪ ঘণ্টার মধ্যে” যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু তাঁর প্রস্তাবও কেবল যুদ্ধবিরতির, সমাধানের নয়। যুদ্ধের মূল কারণ—ন্যাটো সম্প্রসারণ ও ২০১৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রপন্থী কিয়েভ অভ্যুত্থান—তিনি উপেক্ষা করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থায়ী শান্তির জন্য ইউক্রেনকে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি।

২০২২ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইস্তাম্বুলে ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের চাপেই তা ভেস্তে যায়। ফলে যুদ্ধ এখনো চলছে।

লেখকরা মনে করেন, প্রকৃত শান্তির জন্য রাজনীতির সাহসী ব্যবহার ও যুদ্ধবাণিজ্যের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা জরুরি। জন এফ কেনেডির পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টই সেই সাহস দেখাতে পারেননি।

তবে এখনও আশা আছে, কারণ বাস্তবতা কঠিন হলেও অস্বীকার করা যায় না। আসন্ন সময়ে ট্রাম্প যখন বুদাপেস্টে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, তখন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তাঁকে বোঝাতে পারেন—ইউক্রেন শান্তির জন্য ন্যাটো সম্প্রসারণ বন্ধ করা অপরিহার্য।

একইভাবে, তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর ও ইন্দোনেশিয়ার নেতারা তাঁকে জানাতে পারেন যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এখনই জরুরি, এটি কোনো ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি নয় বরং শান্তির মূল শর্ত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প যদি সত্যিই কূটনীতিতে ফিরতে পারেন এবং যুদ্ধবাজ ও লবিগোষ্ঠীর চাপ অগ্রাহ্য করেন, তবে তিনি আমেরিকান জনগণ ও বিশ্বের সমর্থন পেতে পারেন—আর সেটিই হবে বাস্তব শান্তির সূচনা।

Tags: ইউক্রেনগাজাডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্র
Previous Post

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে কমনওয়েলথ প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক

Next Post

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক নির্বাচন হবে বাংলাদেশে: জার্মান রাষ্ট্রদূত

Correspondent 1

Correspondent 1

Related Posts

আমি তেলাপোকা: ভারতের রাজধানীতে প্রজন্মের নতুন আন্দোলনের প্রথম বড় বিক্ষোভ
আন্তর্জাতিক সংবাদ

আমি তেলাপোকা: ভারতের রাজধানীতে প্রজন্মের নতুন আন্দোলনের প্রথম বড় বিক্ষোভ

জুন ৭, ২০২৬
0
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে শিশুসুরক্ষায় পাকিস্তানের সাফল্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল
আন্তর্জাতিক সংবাদ

ডিজিটাল প্রযুক্তিতে শিশুসুরক্ষায় পাকিস্তানের সাফল্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল

জুন ৭, ২০২৬
0
চীন-ভারত সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরলেও পূর্ণ পুনর্মিলনের পথ এখনো দূরে
আন্তর্জাতিক সংবাদ

চীন-ভারত সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরলেও পূর্ণ পুনর্মিলনের পথ এখনো দূরে

জুন ৭, ২০২৬
0
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ নিহত ১২
আন্তর্জাতিক সংবাদ

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ নিহত ১২

জুন ৭, ২০২৬
0
কেন এখন উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং?
আন্তর্জাতিক সংবাদ

কেন এখন উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং?

জুন ৭, ২০২৬
0
ইরান যুদ্ধের ১০০ দিনেও জনসমর্থন পাচ্ছেন না ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক সংবাদ

ইরান যুদ্ধের ১০০ দিনেও জনসমর্থন পাচ্ছেন না ট্রাম্প

জুন ৭, ২০২৬
0
Next Post
বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক নির্বাচন হবে বাংলাদেশে: জার্মান রাষ্ট্রদূত

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক নির্বাচন হবে বাংলাদেশে: জার্মান রাষ্ট্রদূত

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • আমি তেলাপোকা: ভারতের রাজধানীতে প্রজন্মের নতুন আন্দোলনের প্রথম বড় বিক্ষোভ
  • ডিজিটাল প্রযুক্তিতে শিশুসুরক্ষায় পাকিস্তানের সাফল্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল
  • চীন-ভারত সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরলেও পূর্ণ পুনর্মিলনের পথ এখনো দূরে
  • লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ নিহত ১২
  • কেন এখন উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং?

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025