Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

১৮ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতি না হলে এমপিদের সুবিধা বৃদ্ধি অনুচিত : জামায়াত আমির

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

​সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং জাতীয় সংসদের সদস্যদের (এমপি) বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির যেকোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার তীব্র বিরোধিতা করার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে তা সম্পূর্ণ অন্যায্য ও অনুচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।
​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত আল-ফালাহ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ সংক্রান্ত বক্তব্য প্রদান করেন। সম্প্রতি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল পুনর্নির্ধারণের আলোচনার সাথে সাথে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও এমপিদের আর্থিক ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন মহলে যে গুঞ্জন বা আলোচনা চলছে, তা নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করতেই তিনি এসব কথা বলেন।


​ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যরা নিজেদের বেতনভাতা বাড়ানো কিংবা অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে যাননি; বরং দেশের সাধারণ মানুষের সার্বিক সেবা ও প্রশাসনিক প্রয়োজনে তারা সেখানে প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের প্রায় ১৮ কোটি জনগণের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার যখন দৃশ্যমান উন্নতি ঘটবে, কেবল তখনই সেই অগ্রগতির অংশীদার হিসেবে জনপ্রতিনিধিরা সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের আর্থিক সংকট জিইয়ে রেখে জনপ্রতিনিধিদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিকে তিনি নীতিগতভাবে সমর্থন করেন না।


​দেশের বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জামায়াত প্রধান আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ধরনের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবেলা করছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার প্রসঙ্গটি তোলাও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সরকার যদি শেষ পর্যন্ত এমন কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ নেয়, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং তারা এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কঠোর প্রতিবাদ জানাবেন।
​এই স্পর্শকাতর বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আগে সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি পরিষ্কার বার্তা দেন যে, জাতীয় সংসদে ও সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে তারা এই সিদ্ধান্তের স্পষ্ট ও জোরালো বিরোধিতা বজায় রাখবেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতি না হলে এমপিদের সুবিধা বৃদ্ধি অনুচিত : জামায়াত আমির

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং জাতীয় সংসদের সদস্যদের (এমপি) বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির যেকোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার তীব্র বিরোধিতা করার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে তা সম্পূর্ণ অন্যায্য ও অনুচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।
​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত আল-ফালাহ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ সংক্রান্ত বক্তব্য প্রদান করেন। সম্প্রতি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল পুনর্নির্ধারণের আলোচনার সাথে সাথে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও এমপিদের আর্থিক ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন মহলে যে গুঞ্জন বা আলোচনা চলছে, তা নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করতেই তিনি এসব কথা বলেন।


​ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যরা নিজেদের বেতনভাতা বাড়ানো কিংবা অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে যাননি; বরং দেশের সাধারণ মানুষের সার্বিক সেবা ও প্রশাসনিক প্রয়োজনে তারা সেখানে প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের প্রায় ১৮ কোটি জনগণের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার যখন দৃশ্যমান উন্নতি ঘটবে, কেবল তখনই সেই অগ্রগতির অংশীদার হিসেবে জনপ্রতিনিধিরা সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের আর্থিক সংকট জিইয়ে রেখে জনপ্রতিনিধিদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিকে তিনি নীতিগতভাবে সমর্থন করেন না।


​দেশের বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জামায়াত প্রধান আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ধরনের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবেলা করছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার প্রসঙ্গটি তোলাও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সরকার যদি শেষ পর্যন্ত এমন কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ নেয়, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং তারা এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কঠোর প্রতিবাদ জানাবেন।
​এই স্পর্শকাতর বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আগে সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি পরিষ্কার বার্তা দেন যে, জাতীয় সংসদে ও সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে তারা এই সিদ্ধান্তের স্পষ্ট ও জোরালো বিরোধিতা বজায় রাখবেন।