বন্দর কার্যক্রম সচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিএমপির নির্দেশনা, তবে নির্বাচনী প্রচার নিষেধাজ্ঞার বাইরে
চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এক মাস সব ধরনের মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে সিএমপি; যানজট ও আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত হওয়া ঠেকাতেই এ সিদ্ধান্ত।
চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন এলাকায় এক মাসের জন্য মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা নিষিদ্ধ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। রবিবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। এর আগে একই এলাকায় দুই দফা এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
নিষিদ্ধ এলাকার মধ্যে রয়েছে বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেইট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এসব এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল ও সমাবেশ এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
বন্দরের গুরুত্ব তুলে ধরে সিএমপি কমিশনার বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র এবং ‘১ক’ শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই)। দেশের অধিকাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এ বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লং-ভেহিকেল ও প্রাইম মুভার বন্দরে চলাচল করে।
এত বিপুল যানবাহন চলাচলের কারণে বন্দরের আশপাশে স্বাভাবিক ট্রাফিক বজায় রাখা জরুরি। কিন্তু মিছিল-সমাবেশের কারণে যানজট তৈরি হয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হয়, যা জাতীয় অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮–এর ২৯ ও ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
















