এনসিটি ইজারা বন্ধের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন; বন্ধ রয়েছে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও ডেলিভারি
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে শ্রমিকদের ডাকা কর্মবিরতিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অচল হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দর। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল আটটা থেকে বন্দরের মূল অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্যবাহী যান চলাচল পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। এই অচলাবস্থায় বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর এই পরিস্থিতির কারণে বারিক বিল্ডিং থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত এলাকায় শত শত পণ্যবাহী গাড়ির দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে। বন্দরের গেটগুলো খোলা থাকলেও কোনো গাড়ি প্রবেশ করছে না বা বের হচ্ছে না। তবে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস কার্যক্রম এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন জানিয়েছেন, সিএমপির নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্দর এলাকায় সমাবেশ না করলেও বন্দরের বাইরে তাঁদের মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
আন্দোলন দমাতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ চারজন শ্রমিক নেতাকে ঢাকার পানগাঁও আইসিটিতে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, টানা দুই দিন কয়েক ঘণ্টা করে কাজ বন্ধ থাকায় কয়েক হাজার কনটেইনারের জট তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। শ্রমিক নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসা পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন ধাপে ধাপে আরও তীব্র হবে।














