ঠাকুরগাঁওয়ে পথসভায় বিএনপি মহাসচিবের তোপ; প্রতিহিংসামুক্ত নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একাত্তরের ভূমিকার জন্য এখনো জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি উল্লেখ করে কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “জামায়াত এখনো একাত্তরের কৃতকর্মের জন্য মাফ চায়নি, তারা মানুষের কাছে ভোট চায় কীভাবে?”
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের গড়েয়া ইউনিয়নের চন্ডিপুর বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এর এই সভায় মির্জা ফখরুল বিগত ১৬ বছরের দুঃশাসনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের জুলুমের কারণে তিনি দীর্ঘদিন নিজ এলাকার মানুষের সামনে আসতে পারেননি। তাঁর বিরুদ্ধে ১১৭টি ‘মিথ্যা’ মামলা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নতুন বাংলাদেশে আমরা কোনো প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি চাই না। এটাই বিএনপির দর্শন এবং এটাই তারেক রহমানের নির্দেশনা।” শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে ১৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি দ্রুত রাস্তাঘাটের কাজ শুরুর আশ্বাস দেন।
পথসভায় নিজের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ফখরুল বলেন, আবারও নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বিশেষ করে নারীদের স্বাবলম্বী করতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের ভাগ্যের ফয়সালা হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “এই ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে আমরা আবার পিছিয়ে যাব।” বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমানই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
















