শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট সংলগ্ন কার্গো সেকশনে লাগা এই অগ্নিকাণ্ডের খবরটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর মূল ছিল:
ফ্লাইট চলাচল স্থগিত ও কারণ বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
রয়টার্স (Reuters) ও এএফপি (AFP): উভয় সংবাদ সংস্থা তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ আগুন লাগার ফলে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।
এএফপি বিশেষভাবে উল্লেখ করে, বিমানবন্দরের মূল যাত্রী টার্মিনালটি ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও, রানওয়ে জুড়ে ছড়িয়ে পড়া ঘন কালো ধোঁয়া বিমান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস (The New York Times): তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ফলে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়, এবং ঘন কালো ধোঁয়া কয়েক কিলোমিটার দূর থেকেও দেখা যায়।
দ্য ইকোনমিক টাইমস (The Economic Times): এই সংবাদমাধ্যমটিও কার্গো অংশে আগুনের খবর দিয়ে ফ্লাইট স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সম্মিলিতভাবে অগ্নি নির্বাপণ অগ্নিকাণ্ডের পর আগুন নেভানোর কার্যক্রমে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর ইউনিট দ্রুত যুক্ত হয়। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে এক ডজনের বেশি ঢাকাগামী ফ্লাইটকে অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নিতে হয়। আগুন রাত সোয়া ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে।
হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি আগুন নেভানোর সময় ২৫ জন আনসার সদস্য আহত হন, যাদেরকে সিএমএইচ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিপুল সংখ্যক কম ওজনের যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস ও পচনশীল পণ্য আমদানি করা হতো ওই সেকশন দিয়ে, ফলে আমদানিকারকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার শঙ্কা করছেন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, বিমানবন্দরে থাকা সব উড়োজাহাজ আপাতত নিরাপদ রয়েছে।
তবে আগুনের কারণ এখনো জানা যায়নি এবং কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
















