পে-কমিশনের রিপোর্ট শুধু গ্রহণ করা হয়েছে; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচিত সরকার
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল এই অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার কেবল পে-কমিশনের প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেছে, কিন্তু এটি কার্যকর করার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। আগামীতে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে চাইলে এই সুপারিশ পরিবর্তন বা বাতিল করার পূর্ণ এখতিয়ার রাখবে।
২৭ জানুয়ারি ২০২৬-এর এই বক্তব্যে উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে একটি স্বাধীন পে-কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমিত হওয়ায় এবং দেশের আর্থিক সক্ষমতা ও মূল্যস্ফীতির বিষয়গুলো বিবেচনা করে এই বিশাল বাজেটের সিদ্ধান্ত পরবর্তী সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা ও অর্থের সংস্থান নিয়ে কাজ করবে।
১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল ব্যয়ের বিষয়ে ফাওজুল কবির খান বলেন, সাধারণত পে-কমিশনের সুপারিশ একযোগে সব বাস্তবায়িত হয় না, বরং ধাপে ধাপে হয়। তিনি আরও যোগ করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে চলমান অসন্তোষ ও বিক্ষোভ নিরসনের লক্ষ্যে এবং ভবিষ্যৎ সরকারের শাসনকাল যেন নির্বিঘ্ন হয়, সেই চিন্তাতেই প্রতিবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। এটি কোনো বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত নয়, বরং পরবর্তী সরকারের জন্য একটি দিকনির্দেশনা মাত্র, যা তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী সংশোধন করতে পারবে।
















