অবাধ ভোটই দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করতে পারে—জাতীয় প্রেস ক্লাবের সমাবেশে বিএনপি নেতা
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে শুধু সরকার নয়—পুরো দেশবাসীকেই ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
ভালো নির্বাচনে ব্যর্থ হলে দেশ সংকটে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশকে বর্তমান সংকট থেকে উদ্ধার করতে।”
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
দুদু বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তার ভাষায়, নির্বাচন ভালো না হলে এর দায় সরকারসহ দেশবাসীকেই বহন করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, শুধু এলপিজি গ্যাস নয়—নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। বর্তমান সরকারের কাছে অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির ওপর জোর দিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, “মানুষ যেন নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে—এটাই ভালো নির্বাচনের শর্ত।” তিনি দাবি করেন, গত ১৫–১৬ বছরে মানুষ ভোটকেন্দ্রে না গেলেও নির্বাচন হয়ে গেছে—যা ছিল ‘তামাশার নির্বাচন’।
দুদু আরও বলেন, “এই নির্বাচনগুলোকে কেবল শেখ হাসিনা এবং তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নরেন্দ্র মোদী বা ভারত অনুমোদন করেছে।”
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বৈধ লাইসেন্স থাকলেও দলীয়ভাবে ব্যবহৃত অস্ত্র জনগণের জন্য হুমকি। এসব অস্ত্র উদ্ধার না হলে ভালো নির্বাচন সম্ভব নয়।
সমাবেশে তিনি আহ্বান জানান, ভালো নির্বাচনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তার বক্তব্যে বলেন, “ভালো নির্বাচন হলে যে সরকার আসবে, তা হবে শহীদ জিয়ার আদর্শের সরকার, বেগম খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বের সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান।”
সমাবেশে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক খন্দকার লুৎফর রহমান, মুখপাত্র এস এম শাহাদাতসহ আরও নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
















