এলপিজি এখন ‘শিল্প কাঁচামাল’; ২৭০ দিন পর মূল্য পরিশোধের সুবিধা
দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং এলপিজির সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এখন থেকে বাকিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমদানিকারকরা বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে এলপিজি আনতে পারবেন এবং এর মূল্য পরিশোধের জন্য দীর্ঘ সময় পাবেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এলপিজি-কে এখন থেকে ‘শিল্প কাঁচামাল’ হিসেবে গণ্য করা হবে। সাধারণত এলপিজি বাল্ক আকারে আমদানির পর তা সিলিন্ডারে বোতলজাত ও বাজারজাত করতে আমদানিকারকদের বেশ সময়ের প্রয়োজন হয়। এই প্রক্রিয়াটি সহজ করতে এখন থেকে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত ইউজেন্স পিরিয়ড (বাকিতে আমদানির পর মূল্য পরিশোধের সময়) সুবিধা পাবেন।
সার্কুলার অনুযায়ী, দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক বা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের মাধ্যমে এই এলপিজি আমদানির সুযোগ পাওয়া যাবে। এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, যা এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি কমবে এবং আমদানিকারকদের নগদ অর্থের চাপ লাঘব হবে।
















