টেকনাফ সীমান্তে ভোরের গোলাগুলিতে আরও একজন আহত, বিজিবির টহল জোরদার
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের সময় ছোঁড়া গুলি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ায় কক্সবাজারের টেকনাফে এক কিশোরী নিহত হয়েছে এবং আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষের প্রভাব আবারও বাংলাদেশের ভেতরে পড়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে ছোঁড়া গুলিতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় এক কিশোরী নিহত হয়েছেন এবং আরও একজন আহত হয়েছেন।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম রবিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ভোরের দিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং সেখান থেকে ছোঁড়া গুলি সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে লাগে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরীর নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পরপরই বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পুরো সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীর হোয়াইক্যং অংশে মাছ ধরার সময় মো. আলমগীর (৩০) নামের এক বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হন।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু জানান, মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকায় প্রায়ই গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। রবিবার সকালেও কয়েক রাউন্ড গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, মিয়ানমারে আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে আরসা গ্রুপের কিছু সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। এ পরিস্থিতিতে রবিবার সকাল থেকে হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় স্থানীয় জনতা সড়ক অবরোধ করে রোহিঙ্গা সংকট ও সীমান্ত নিরাপত্তায় সরকারের জোরালো পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে।
















