ঢাকার বাইরে দর্শক পৌঁছাতে ও পরিবেশ সচেতনতা জোরদারের আহ্বান
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনীতে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলো শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে বিভাগীয় পর্যায়েও আয়োজন করা গেলে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলো রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে বিভাগীয় পর্যায়েও আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, এবার প্রথমবারের মতো কক্সবাজারেও উৎসবের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে, যা উৎসাহব্যঞ্জক। তবে এ ধরনের আয়োজন করতে গিয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, দ্বন্দ্ব ও বিভক্ত এই পৃথিবীতে সংস্কৃতিই মানুষে-মানুষে সেতুবন্ধ তৈরি করতে পারে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, মূল্যবোধ ও জ্ঞান-বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায় এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।
রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগানে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি ৯ দিনব্যাপী ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উৎসবে প্রদর্শিত চলচ্চিত্রের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ক কাজ অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে এবং আয়োজকদের অন্তত দু’একটি পরিবেশভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য জালাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ক্রোয়েশিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মার্কোভিচ ও বাংলাদেশে চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শিওপেং। উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয় চীনা পরিচালক চেন শিয়াং পরিচালিত ‘উ জিন ঝি লু’ (দ্য জার্নি টু নো এন্ড)। এবারের উৎসবে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের ২৪৫টি চলচ্চিত্র বিভিন্ন বিভাগে প্রদর্শিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন, বাংলাদেশ প্যানোরামা, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলড্রেন ফিল্ম সেশন, ওমেন ফিল্ম মেকার, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট, স্পিরিচুয়াল ফিল্ম ও ওপেন টি বায়োস্কোপ।
















