Dhaka ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বারানসির দুই বিধান পরিষদ আসনেই বিজেপির পরাজয় সমাজবাদী পার্টির জয়

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

ভারতের উত্তর প্রদেশের ১১টি আসনের বিধান পরিষদ (এমএলসি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ৬টি এবং প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব লোকসভা কেন্দ্র বারানসির অধীনস্থ দুটি বিধান পরিষদ আসনেই (শিক্ষক ও স্নাতক কোটা) সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীদের কাছে বিজেপির পরাজয় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বারানসির মর্যাদাপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রাথমিক গণনা ও পুনর্গণনার কোনো পর্যায়েই বিজেপি প্রার্থীরা সুবিধা করতে পারেননি।

বারানসির এই নজিরবিহীন নির্বাচনী ফলাফলকে ‘ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের ডাবল হার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি দাবি করেন, এই রায় মূলত শিক্ষা ক্ষেত্র, কর্মসংস্থান এবং তরুণ সমাজের প্রতি বিজেপির গণবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ, শিক্ষিত বেকার ও শিক্ষক সম্প্রদায়ের ক্ষোভের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাঁর মতে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, দলিত ও সংখ্যালঘুদের নিয়ে গঠিত এসপির ‘পিডিএ’ (পিছড়ে, দলিত, আল্পসংখ্যক) জোটের জনসমর্থন এখন ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

একই সাথে নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে অখিলেশ যাদব বলেন, অভ্যন্তরীণ সংকট ঢাকতেই বিজেপি কৌশল অবলম্বন করেছিল। তিনি আসন্ন ২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সংকটের বিষয় তুলে ধরে বিদ্রূপ করার পাশাপাশি সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীদের বিজয়ী করায় তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের প্রতি ধন্যবাদ জানান। সমাজবাদী পার্টির নেতৃত্বের মতে, বারানসির এই কৌশলগত জয় আগামীতে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সরকার গঠনের পথকে আরও সুগম ও শক্তিশালী করবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বারানসির দুই বিধান পরিষদ আসনেই বিজেপির পরাজয় সমাজবাদী পার্টির জয়

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের উত্তর প্রদেশের ১১টি আসনের বিধান পরিষদ (এমএলসি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ৬টি এবং প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব লোকসভা কেন্দ্র বারানসির অধীনস্থ দুটি বিধান পরিষদ আসনেই (শিক্ষক ও স্নাতক কোটা) সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীদের কাছে বিজেপির পরাজয় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বারানসির মর্যাদাপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রাথমিক গণনা ও পুনর্গণনার কোনো পর্যায়েই বিজেপি প্রার্থীরা সুবিধা করতে পারেননি।

বারানসির এই নজিরবিহীন নির্বাচনী ফলাফলকে ‘ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের ডাবল হার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি দাবি করেন, এই রায় মূলত শিক্ষা ক্ষেত্র, কর্মসংস্থান এবং তরুণ সমাজের প্রতি বিজেপির গণবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ, শিক্ষিত বেকার ও শিক্ষক সম্প্রদায়ের ক্ষোভের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাঁর মতে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, দলিত ও সংখ্যালঘুদের নিয়ে গঠিত এসপির ‘পিডিএ’ (পিছড়ে, দলিত, আল্পসংখ্যক) জোটের জনসমর্থন এখন ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

একই সাথে নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে অখিলেশ যাদব বলেন, অভ্যন্তরীণ সংকট ঢাকতেই বিজেপি কৌশল অবলম্বন করেছিল। তিনি আসন্ন ২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সংকটের বিষয় তুলে ধরে বিদ্রূপ করার পাশাপাশি সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীদের বিজয়ী করায় তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের প্রতি ধন্যবাদ জানান। সমাজবাদী পার্টির নেতৃত্বের মতে, বারানসির এই কৌশলগত জয় আগামীতে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সরকার গঠনের পথকে আরও সুগম ও শক্তিশালী করবে।