হামলাকারীরা সীমান্ত পেরিয়েছে কি না—কী জানা যাবে ফিলিপ গ্রেপ্তার হলেই
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে অন্যতম সন্দেহভাজন ফিলিপ স্নালকে গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারী ফয়সাল ও আলমগীর সীমান্ত পেরিয়ে গেছে কি না—এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মিলবে ফিলিপকে আটক করা গেলেই।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত পুলিশ–র্যাব–বিজিবি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ময়মনসিংহ বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ১৩ ডিসেম্বর তথ্য পাওয়া যায় যে শুটার ফয়সাল ময়মনসিংহের দিকে অগ্রসর হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে হালুয়াঘাট ও শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকায় একযোগে রাতভর যৌথ অভিযান চালানো হয়।
কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কল রেকর্ড বিশ্লেষণে ফিলিপ স্নাল-এর নাম বারবার উঠে আসে। অভিযানের রাতে ফিলিপকে পাওয়া না গেলেও তার শ্বশুর ও এক সহযোগীকে আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে আরও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি জানান, ফিলিপ মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক তথ্য রয়েছে এবং তাকে ধরতে সব ধরনের গোয়েন্দা টুলস ও সক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও মানবপাচার পরস্পর জড়িত। নির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া কাউকে আটক করা কঠিন হলেও ফিলিপকে লক্ষ্য করেই তৎপরতা কেন্দ্রীভূত। একই সঙ্গে জেমি চিসিং ও দিকি রন্দ্রি—এই দুই সন্দেহভাজনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, ডিএমপির ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম, এবং র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
















