২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানোদের মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ
২০২৫ সালের শুরু থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশিরা। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ সময়ের মধ্যে ১৬ হাজার ৫৫২ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছেন। দেশভিত্তিক হিসাবে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে সমুদ্রপথে ইতালিতে আগত অভিবাসীদের তালিকায় বাংলাদেশ অনেক ব্যবধানে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশ থেকে আগমন অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় এবার বাংলাদেশিদের আগমন দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। গত বছর এ সময় ইতালিতে পৌঁছেছিলেন আট হাজারের কিছু বেশি বাংলাদেশি, যা চলতি বছরে বেড়ে ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৫৫ হাজার ৯৪৮ জন অভিবাসী সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছেছেন।
বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিসর—সেখান থেকে এসেছেন ৭ হাজার ৬৯০ জন। তৃতীয় অবস্থানে ইরিত্রিয়া, দেশটি থেকে এসেছেন ৬ হাজার ৮৮৭ জন।
এ ছাড়া পাকিস্তান থেকে ৩ হাজার ৭২৬, সুদান থেকে ৩ হাজার ৩৪৭, সোমালিয়া থেকে ২ হাজার ৫৬৬, ইথিওপিয়া থেকে ২ হাজার ৩৭, তিউনিসিয়া থেকে ১ হাজার ৫২৪, ইরান থেকে ১ হাজার ৪৯৩, সিরিয়া থেকে ১ হাজার ২৪৫, গিনি থেকে ১ হাজার ২১৮, আলজেরিয়া থেকে ১ হাজার ১১৫, নাইজেরিয়া থেকে ৮০১, মালি থেকে ৭৫৩ এবং আফগানিস্তান থেকে ৬১২ জন অভিবাসী ইতালিতে পৌঁছেছেন।
অন্যান্য দেশের অভিবাসীদের সংখ্যা মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৮২ জন।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সামগ্রিকভাবে আফ্রিকার দেশগুলো থেকে অভিবাসন কিছুটা কমলেও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলো থেকে, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে সমুদ্রপথে ইতালিমুখী যাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশিদের আগমন আরও স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ
















