Dhaka ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের বৈঠক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন। সোমবার তেহরানে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাইরের শক্তির ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নিজেরাই সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজছে। বিশেষ করে জ্বালানি পরিবহনপথের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় এই আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের বৈঠক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন। সোমবার তেহরানে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাইরের শক্তির ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নিজেরাই সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজছে। বিশেষ করে জ্বালানি পরিবহনপথের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় এই আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।