আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও মামলার জেরে উত্তেজনা ও ভাঙচুর
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে চার নেতাকর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। পূর্বের একটি মামলার আসামিকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করায় এই প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় একটি ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর এবং নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ২০ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভৈরব বাজারে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। হামলায় চারজন আহত হয়েছেন যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতরা হলেন চরকিং ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মো সাহারাজ যুবদল কর্মী মো রুবেল মো মনির এবং কবির উদ্দিন মজনু। স্থানীয়দের অভিযোগ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। মূলত গত ১৩ ডিসেম্বর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোজাক্কের বারীর ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার জেরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় গত ১৭ ডিসেম্বর মোজাক্কের বারী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় হাতিয়া থানা পুলিশ ওই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে ভৈরব বাজারে অভিযানে যায়। এ সময় মামলার বাদী মোজাক্কের এজাহারভুক্ত এক আসামিকে পুলিশকে দেখিয়ে দেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পর পরই আবু তাহেরের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় কৃষকদল নেতা সাহারাজকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো সাইফুল আলম জানিয়েছেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ওসির মতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে। যেহেতু আগে থেকেই একটি মামলা ছিল তাই সেই রেশ ধরেই এই সংঘর্ষ বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
















