Dhaka ০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীসহ নিহত ৭

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি প্রবাসীসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন নারী রয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার নর্দার্ন কেপ প্রদেশের স্প্রিংবকে এক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসী মো. রুবেল (৩৯) নিহত হন। একই দিনে পূর্ব কেপ প্রদেশের অ্যাবারডিনের কাছে একটি মিনিবাস ট্যাক্সি ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় নারী প্রাণ হারান। এই ঘটনায় আরও ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় প্রবাসী মেহেদি হাসান জানান, শনিবার দুপুরের পর দোকানের মালামাল কিনে ফেরার পথে হাইওয়েতে দুর্ঘটনার শিকার হন রুবেল। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ওই গাড়িতে থাকা আরও এক বাংলাদেশি আহত হলেও তাঁর অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

নিহত রুবেল নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধুপুর গ্রামের চুন বেপারী বাড়ির মৃত শাহ আলমের বড় ছেলে। ২০২৩ সালে জীবিকার সন্ধানে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় যান এবং সেখানে ফুফাতো ভাই আমির হোসেনের দোকানে কাজ করতেন। দেশে তাঁর স্ত্রী, দুই সন্তান, বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই রয়েছেন।

অন্যদিকে, শনিবার সকালে পূর্ব কেপ প্রদেশের অ্যাবারডিন শহরের বাইরে আর-৬১ সড়কে মিনিবাস ট্যাক্সি ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় নারী নিহত হন। মিনিবাসটিতে ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। সংঘর্ষের পর আরও দুটি গাড়ি দুর্ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে, এতে একটি কিয়া রিও গাড়ির এক আরোহী আহত হন।

দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদমাধ্যম ইএনসিএ ও এসএবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিনিবাসটি পশ্চিম কেপের বিউফোর্ট ওয়েস্ট থেকে পূর্ব কেপের দিকে যাচ্ছিল।

পূর্ব কেপ প্রদেশের পরিবহণ বিভাগের মুখপাত্র উনাথি বিনকোসে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চালকের ক্লান্তি সম্ভাব্য কারণগুলোর একটি হতে পারে। এ ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয়

বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্য ও বাস্তবসম্মত সমাধান চায় মার্কিন জনগণ: বারাক ওবামা

দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীসহ নিহত ৭

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি প্রবাসীসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন নারী রয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার নর্দার্ন কেপ প্রদেশের স্প্রিংবকে এক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসী মো. রুবেল (৩৯) নিহত হন। একই দিনে পূর্ব কেপ প্রদেশের অ্যাবারডিনের কাছে একটি মিনিবাস ট্যাক্সি ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় নারী প্রাণ হারান। এই ঘটনায় আরও ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় প্রবাসী মেহেদি হাসান জানান, শনিবার দুপুরের পর দোকানের মালামাল কিনে ফেরার পথে হাইওয়েতে দুর্ঘটনার শিকার হন রুবেল। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ওই গাড়িতে থাকা আরও এক বাংলাদেশি আহত হলেও তাঁর অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

নিহত রুবেল নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধুপুর গ্রামের চুন বেপারী বাড়ির মৃত শাহ আলমের বড় ছেলে। ২০২৩ সালে জীবিকার সন্ধানে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় যান এবং সেখানে ফুফাতো ভাই আমির হোসেনের দোকানে কাজ করতেন। দেশে তাঁর স্ত্রী, দুই সন্তান, বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই রয়েছেন।

অন্যদিকে, শনিবার সকালে পূর্ব কেপ প্রদেশের অ্যাবারডিন শহরের বাইরে আর-৬১ সড়কে মিনিবাস ট্যাক্সি ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় নারী নিহত হন। মিনিবাসটিতে ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। সংঘর্ষের পর আরও দুটি গাড়ি দুর্ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে, এতে একটি কিয়া রিও গাড়ির এক আরোহী আহত হন।

দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদমাধ্যম ইএনসিএ ও এসএবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিনিবাসটি পশ্চিম কেপের বিউফোর্ট ওয়েস্ট থেকে পূর্ব কেপের দিকে যাচ্ছিল।

পূর্ব কেপ প্রদেশের পরিবহণ বিভাগের মুখপাত্র উনাথি বিনকোসে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চালকের ক্লান্তি সম্ভাব্য কারণগুলোর একটি হতে পারে। এ ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।